পাটগ্রাম সীমান্তে বিএসএফের গুলি, নৌকা ও সরঞ্জাম নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ

পাটগ্রাম সীমান্তে বিএসএফের গুলি, নৌকা ও সরঞ্জাম নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্তে ফাঁকা গুলি ছুড়ে বাংলাদেশি শ্রমিকদের তাড়িয়ে দেওয়ার পর তাদের চারটি নৌকা ও পাথর উত্তোলনের সরঞ্জাম নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ধরলা নদীর মাইয়ামরা ঘাট সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তিস্তা ব্যাটালিয়ন-২ (৬১ বিজিবি)-এর সহকারী পরিচালক কারিমুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ধরলা নদীর সীমান্তে আন্তর্জাতিক ৮৪২ নম্বর মেইন পিলারের ৪ ও ৫ নম্বর সাব-পিলারের মাঝামাঝি ভারতের অংশে কয়েকজন বাংলাদেশি শ্রমিক বালু ও পাথর তুলতে যান।
বিষয়টি জানতে পেরে ভারতের কোচবিহারের ৬২ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের পানিশালা ক্যাম্পের একটি টহল দল সেখানে যায়। শ্রমিকদের ধাওয়া করে বিএসএফ সদস্যরা অন্তত পাঁচটি ফাঁকা গুলি ছোড়েন বলে বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। পরে শ্রমিকেরা সেখান থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে ফিরে আসেন।
এরপর বিএসএফ সদস্যরা নদী থেকে শ্রমিকদের চারটি নৌকা এবং পাথর উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জাম নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ঘটনার পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বুড়িমারী ও চ্যাংড়াবান্ধা কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক হয়। বৈঠকে সীমান্তে গুলি ছোড়ার ঘটনায় বিএসএফের কাছে তীব্র প্রতিবাদ জানায় বিজিবি।
বিজিবির সহকারী পরিচালক কারিমুল ইসলাম বলেন, ‘বিএসএফের গুলি ছোড়ার ঘটনায় বিজিবির পক্ষ থেকে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। পতাকা বৈঠক শেষে ওই এলাকায় বিজিবির টহল বাড়ানো হয়েছে। বর্তমানে সীমান্তের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।’

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্তে ফাঁকা গুলি ছুড়ে বাংলাদেশি শ্রমিকদের তাড়িয়ে দেওয়ার পর তাদের চারটি নৌকা ও পাথর উত্তোলনের সরঞ্জাম নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ধরলা নদীর মাইয়ামরা ঘাট সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তিস্তা ব্যাটালিয়ন-২ (৬১ বিজিবি)-এর সহকারী পরিচালক কারিমুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ধরলা নদীর সীমান্তে আন্তর্জাতিক ৮৪২ নম্বর মেইন পিলারের ৪ ও ৫ নম্বর সাব-পিলারের মাঝামাঝি ভারতের অংশে কয়েকজন বাংলাদেশি শ্রমিক বালু ও পাথর তুলতে যান।
বিষয়টি জানতে পেরে ভারতের কোচবিহারের ৬২ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের পানিশালা ক্যাম্পের একটি টহল দল সেখানে যায়। শ্রমিকদের ধাওয়া করে বিএসএফ সদস্যরা অন্তত পাঁচটি ফাঁকা গুলি ছোড়েন বলে বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। পরে শ্রমিকেরা সেখান থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে ফিরে আসেন।
এরপর বিএসএফ সদস্যরা নদী থেকে শ্রমিকদের চারটি নৌকা এবং পাথর উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জাম নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ঘটনার পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বুড়িমারী ও চ্যাংড়াবান্ধা কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক হয়। বৈঠকে সীমান্তে গুলি ছোড়ার ঘটনায় বিএসএফের কাছে তীব্র প্রতিবাদ জানায় বিজিবি।
বিজিবির সহকারী পরিচালক কারিমুল ইসলাম বলেন, ‘বিএসএফের গুলি ছোড়ার ঘটনায় বিজিবির পক্ষ থেকে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। পতাকা বৈঠক শেষে ওই এলাকায় বিজিবির টহল বাড়ানো হয়েছে। বর্তমানে সীমান্তের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।’

পাটগ্রাম সীমান্তে বিএসএফের গুলি, নৌকা ও সরঞ্জাম নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্তে ফাঁকা গুলি ছুড়ে বাংলাদেশি শ্রমিকদের তাড়িয়ে দেওয়ার পর তাদের চারটি নৌকা ও পাথর উত্তোলনের সরঞ্জাম নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ধরলা নদীর মাইয়ামরা ঘাট সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তিস্তা ব্যাটালিয়ন-২ (৬১ বিজিবি)-এর সহকারী পরিচালক কারিমুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ধরলা নদীর সীমান্তে আন্তর্জাতিক ৮৪২ নম্বর মেইন পিলারের ৪ ও ৫ নম্বর সাব-পিলারের মাঝামাঝি ভারতের অংশে কয়েকজন বাংলাদেশি শ্রমিক বালু ও পাথর তুলতে যান।
বিষয়টি জানতে পেরে ভারতের কোচবিহারের ৬২ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের পানিশালা ক্যাম্পের একটি টহল দল সেখানে যায়। শ্রমিকদের ধাওয়া করে বিএসএফ সদস্যরা অন্তত পাঁচটি ফাঁকা গুলি ছোড়েন বলে বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। পরে শ্রমিকেরা সেখান থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে ফিরে আসেন।
এরপর বিএসএফ সদস্যরা নদী থেকে শ্রমিকদের চারটি নৌকা এবং পাথর উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জাম নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ঘটনার পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বুড়িমারী ও চ্যাংড়াবান্ধা কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক হয়। বৈঠকে সীমান্তে গুলি ছোড়ার ঘটনায় বিএসএফের কাছে তীব্র প্রতিবাদ জানায় বিজিবি।
বিজিবির সহকারী পরিচালক কারিমুল ইসলাম বলেন, ‘বিএসএফের গুলি ছোড়ার ঘটনায় বিজিবির পক্ষ থেকে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। পতাকা বৈঠক শেষে ওই এলাকায় বিজিবির টহল বাড়ানো হয়েছে। বর্তমানে সীমান্তের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।’









