বিশ্বকাপ চলাকালীন যুক্তরাষ্ট্রে ৯০৫ মানবপাচারকারী গ্রেপ্তার

বিশ্বকাপ চলাকালীন যুক্তরাষ্ট্রে ৯০৫ মানবপাচারকারী গ্রেপ্তার
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

সদ্য সমাপ্ত ফিফা বিশ্বকাপ চলাকালে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে মাসব্যাপী সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে ৯০৫ জন মানবপাচারকারীকে গ্রেপ্তার করেছে মার্কিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। যৌথ বাহিনীর এই বিশেষ অভিযানে মানবপাচারের শিকার ১৮০ জনকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃতদের মধ্যে ৩০ জনই শিশু ও অপ্রাপ্তবয়স্ক। বুধবার (২৯ জুলাই) মার্কিন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি) এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
বিবৃতিতে জানানো হয়, ফুটবল বিশ্বকাপের মতো বিশ্বমঞ্চকে সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করে একটি চক্র বড় ধরনের মানবপাচারের পরিকল্পনা করছে বলে আগেই গোয়েন্দা তথ্য পেয়েছিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সেই খবরের ভিত্তিতেই টুর্নামেন্টের শুরু থেকে দেশজুড়ে মার্কিন পুলিশ ও কাস্টমস পুলিশের সমন্বয়ে যৌথ অভিযান শুরু হয়। বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে কড়া নজরদারির পাশাপাশি অনলাইন মনিটরিং এবং বেশ কিছু ছদ্মবেশী বা আন্ডারকভার অভিযান পরিচালনা করা হয়।
মার্কিন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব লরেন বিস জানান, কোটি কোটি আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় দর্শক যখন বিশ্বকাপের উন্মাদনায় ভাসছিলেন, তখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও পাচারকারীদের গ্রেপ্তারে মাঠে নিয়োজিত ছিলেন।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পুরো দেশের বিস্তারিত পরিসংখ্যান না দেওয়া হলেও জানানো হয়, কেবল মিয়ামি শহর থেকেই ১৭৮ জন এবং আটলান্টা থেকে ১৫৩ জন মানবপাচারকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, বিশ্বকাপ শেষ হলেও এই মানবপাচারবিরোধী অভিযান থামেনি, অপরাধীদের শনাক্ত করতে বর্তমানেও তল্লাশি কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
সূত্র: ফার্স্টপোস্ট

সদ্য সমাপ্ত ফিফা বিশ্বকাপ চলাকালে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে মাসব্যাপী সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে ৯০৫ জন মানবপাচারকারীকে গ্রেপ্তার করেছে মার্কিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। যৌথ বাহিনীর এই বিশেষ অভিযানে মানবপাচারের শিকার ১৮০ জনকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃতদের মধ্যে ৩০ জনই শিশু ও অপ্রাপ্তবয়স্ক। বুধবার (২৯ জুলাই) মার্কিন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি) এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
বিবৃতিতে জানানো হয়, ফুটবল বিশ্বকাপের মতো বিশ্বমঞ্চকে সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করে একটি চক্র বড় ধরনের মানবপাচারের পরিকল্পনা করছে বলে আগেই গোয়েন্দা তথ্য পেয়েছিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সেই খবরের ভিত্তিতেই টুর্নামেন্টের শুরু থেকে দেশজুড়ে মার্কিন পুলিশ ও কাস্টমস পুলিশের সমন্বয়ে যৌথ অভিযান শুরু হয়। বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে কড়া নজরদারির পাশাপাশি অনলাইন মনিটরিং এবং বেশ কিছু ছদ্মবেশী বা আন্ডারকভার অভিযান পরিচালনা করা হয়।
মার্কিন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব লরেন বিস জানান, কোটি কোটি আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় দর্শক যখন বিশ্বকাপের উন্মাদনায় ভাসছিলেন, তখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও পাচারকারীদের গ্রেপ্তারে মাঠে নিয়োজিত ছিলেন।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পুরো দেশের বিস্তারিত পরিসংখ্যান না দেওয়া হলেও জানানো হয়, কেবল মিয়ামি শহর থেকেই ১৭৮ জন এবং আটলান্টা থেকে ১৫৩ জন মানবপাচারকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, বিশ্বকাপ শেষ হলেও এই মানবপাচারবিরোধী অভিযান থামেনি, অপরাধীদের শনাক্ত করতে বর্তমানেও তল্লাশি কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
সূত্র: ফার্স্টপোস্ট

বিশ্বকাপ চলাকালীন যুক্তরাষ্ট্রে ৯০৫ মানবপাচারকারী গ্রেপ্তার
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

সদ্য সমাপ্ত ফিফা বিশ্বকাপ চলাকালে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে মাসব্যাপী সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে ৯০৫ জন মানবপাচারকারীকে গ্রেপ্তার করেছে মার্কিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। যৌথ বাহিনীর এই বিশেষ অভিযানে মানবপাচারের শিকার ১৮০ জনকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃতদের মধ্যে ৩০ জনই শিশু ও অপ্রাপ্তবয়স্ক। বুধবার (২৯ জুলাই) মার্কিন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি) এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
বিবৃতিতে জানানো হয়, ফুটবল বিশ্বকাপের মতো বিশ্বমঞ্চকে সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করে একটি চক্র বড় ধরনের মানবপাচারের পরিকল্পনা করছে বলে আগেই গোয়েন্দা তথ্য পেয়েছিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সেই খবরের ভিত্তিতেই টুর্নামেন্টের শুরু থেকে দেশজুড়ে মার্কিন পুলিশ ও কাস্টমস পুলিশের সমন্বয়ে যৌথ অভিযান শুরু হয়। বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে কড়া নজরদারির পাশাপাশি অনলাইন মনিটরিং এবং বেশ কিছু ছদ্মবেশী বা আন্ডারকভার অভিযান পরিচালনা করা হয়।
মার্কিন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব লরেন বিস জানান, কোটি কোটি আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় দর্শক যখন বিশ্বকাপের উন্মাদনায় ভাসছিলেন, তখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও পাচারকারীদের গ্রেপ্তারে মাঠে নিয়োজিত ছিলেন।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পুরো দেশের বিস্তারিত পরিসংখ্যান না দেওয়া হলেও জানানো হয়, কেবল মিয়ামি শহর থেকেই ১৭৮ জন এবং আটলান্টা থেকে ১৫৩ জন মানবপাচারকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, বিশ্বকাপ শেষ হলেও এই মানবপাচারবিরোধী অভিযান থামেনি, অপরাধীদের শনাক্ত করতে বর্তমানেও তল্লাশি কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
সূত্র: ফার্স্টপোস্ট

মার্কিন রাষ্ট্রদূতের যোগদান আটকে রেখেছে ব্রাজিল, ক্ষুব্ধ ওয়াশিংটন 







