বিশ্বের প্রথম ‘জিরকন’ হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র সজ্জিত সাবমেরিন আনছে রাশিয়া

বিশ্বের প্রথম ‘জিরকন’ হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র সজ্জিত সাবমেরিন আনছে রাশিয়া
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

চলতি বছরের শেষ নাগাদ নিজেদের নৌ-শক্তিতে এক নতুন অধ্যায় যুক্ত করতে যাচ্ছে রাশিয়া। দেশটির নৌবাহিনীতে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হতে চলেছে অত্যাধুনিক ‘জিরকন’ হাইপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র সজ্জিত প্রথম পারমাণবিক সাবমেরিন ‘পার্ম’। রুশ নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল আলেকজান্ডার মইসেয়েভ এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ইয়াসেন-এম শ্রেণীর সাবমেরিনটি যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে সমুদ্রের তলদেশে রাশিয়ার আক্রমণাত্মক সক্ষমতা এবং টিকে থাকার শক্তি বহুগুণ বেড়ে যাবে।
শব্দের চেয়ে ৯ গুণ দ্রুতগতিতে চলতে সক্ষম জিরকন ক্ষেপণাস্ত্রটি ২০১৯ সালে প্রথম সামরিক বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। প্রায় ১ হাজার কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম এ প্রযুক্তিটি বিশ্বজুড়ে অনন্য। ‘পার্ম’ মূলত ইয়াসেন-এম শ্রেণীর ষষ্ঠ পারমাণবিক সাবমেরিন। তবে এর আগের পাঁচটি সাবমেরিন তৈরি শেষে জিরকন বহনের উপযোগী করা হলেও, পার্মকে শুরু থেকেই তৈরি করা হয়েছে এ হাইপারসনিক প্রযুক্তিকে মাথায় রেখে। ফলে সাবমেরিনটির উল্লম্ব উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা ও যুদ্ধ পরিচালনা সংক্রান্ত যন্ত্রপাতিতে বিশেষ পরিবর্তন আনা হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে কোনো বড় ধরনের সংস্কার ছাড়াই ক্ষেপণাস্ত্রটির পূর্ণ ক্ষমতা ব্যবহার করা যায়।

প্রায় ১৪ হাজার টন ওজনের এ বিশালাকার সাবমেরিনটিতে একযোগে ৩২টি পর্যন্ত ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র যুক্ত করা সম্ভব, যা একে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী অস্ত্রে সজ্জিত সাবমেরিনের সারিতে এনে দাঁড় করিয়েছে। এ শ্রেণীর দশম সাবমেরিন মুরমানস্ক-এর নির্মাণকাজ জুনে শুরু হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এমন এক ডজনেরও বেশি সাবমেরিন বহরে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে মস্কোর।
ইয়াসেন-এম শ্রেণীর সাবমেরিনগুলোর সবচেয়ে বড় বিশেষত্ব হলো সমুদ্রের গভীরে নীরবে লুকিয়ে থাকার ক্ষমতা। বিশেষ প্রোপালসার ডিজাইন, শব্দরোধী কোটিং এবং সূক্ষ্ম প্রকৌশলের কারণে পানির নিচে এগুলোকে সনাক্ত করা অত্যন্ত কঠিন। সোভিয়েত পতনের পর রাশিয়া অন্যান্য সামরিক খাতে কিছু সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি হলেও সাবমেরিন ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তিতে নিজেদের শীর্ষ অবস্থান বজায় রেখেছে। পূর্বের ক্যালিবর বা পি-৮০০ ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর তুলনায় জিরকনের অন্তর্ভুক্তিতে এ শক্তির ব্যবধান আরও বিস্তৃত হলো।

সমুদ্রের বুকে শত্রু জাহাজ ধ্বংসের পাশাপাশি সুসংরক্ষিত স্থল লক্ষ্যবস্তু- বিমানঘাঁটি, কমান্ড সেন্টার কিংবা রসদ সরবরাহ কেন্দ্রে নির্ভুল হামলা চালাতে পারে এই জিরকন ক্ষেপণাস্ত্র। ফলে প্রতিপক্ষের সাবমেরিন-বিধ্বংসী ব্যবস্থার নাগালের বাইরে থেকেই দূরপাল্লার হামলা চালানো সম্ভব হবে। জিরকনের প্রচণ্ড গতি, অধিক ধ্বংসক্ষমতা এবং বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করার সক্ষমতার কারণে সমুদ্রে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী বহরগুলোর জন্য এক বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। এটি গভীর সমুদ্রে পশ্চিমা আধিপত্যের বিরুদ্ধে কৌশলগত ভারসাম্যও তৈরি করবে।
সূত্র: মিলিটারি ওয়াচ ম্যাগাজিন

চলতি বছরের শেষ নাগাদ নিজেদের নৌ-শক্তিতে এক নতুন অধ্যায় যুক্ত করতে যাচ্ছে রাশিয়া। দেশটির নৌবাহিনীতে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হতে চলেছে অত্যাধুনিক ‘জিরকন’ হাইপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র সজ্জিত প্রথম পারমাণবিক সাবমেরিন ‘পার্ম’। রুশ নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল আলেকজান্ডার মইসেয়েভ এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ইয়াসেন-এম শ্রেণীর সাবমেরিনটি যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে সমুদ্রের তলদেশে রাশিয়ার আক্রমণাত্মক সক্ষমতা এবং টিকে থাকার শক্তি বহুগুণ বেড়ে যাবে।
শব্দের চেয়ে ৯ গুণ দ্রুতগতিতে চলতে সক্ষম জিরকন ক্ষেপণাস্ত্রটি ২০১৯ সালে প্রথম সামরিক বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। প্রায় ১ হাজার কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম এ প্রযুক্তিটি বিশ্বজুড়ে অনন্য। ‘পার্ম’ মূলত ইয়াসেন-এম শ্রেণীর ষষ্ঠ পারমাণবিক সাবমেরিন। তবে এর আগের পাঁচটি সাবমেরিন তৈরি শেষে জিরকন বহনের উপযোগী করা হলেও, পার্মকে শুরু থেকেই তৈরি করা হয়েছে এ হাইপারসনিক প্রযুক্তিকে মাথায় রেখে। ফলে সাবমেরিনটির উল্লম্ব উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা ও যুদ্ধ পরিচালনা সংক্রান্ত যন্ত্রপাতিতে বিশেষ পরিবর্তন আনা হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে কোনো বড় ধরনের সংস্কার ছাড়াই ক্ষেপণাস্ত্রটির পূর্ণ ক্ষমতা ব্যবহার করা যায়।

প্রায় ১৪ হাজার টন ওজনের এ বিশালাকার সাবমেরিনটিতে একযোগে ৩২টি পর্যন্ত ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র যুক্ত করা সম্ভব, যা একে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী অস্ত্রে সজ্জিত সাবমেরিনের সারিতে এনে দাঁড় করিয়েছে। এ শ্রেণীর দশম সাবমেরিন মুরমানস্ক-এর নির্মাণকাজ জুনে শুরু হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এমন এক ডজনেরও বেশি সাবমেরিন বহরে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে মস্কোর।
ইয়াসেন-এম শ্রেণীর সাবমেরিনগুলোর সবচেয়ে বড় বিশেষত্ব হলো সমুদ্রের গভীরে নীরবে লুকিয়ে থাকার ক্ষমতা। বিশেষ প্রোপালসার ডিজাইন, শব্দরোধী কোটিং এবং সূক্ষ্ম প্রকৌশলের কারণে পানির নিচে এগুলোকে সনাক্ত করা অত্যন্ত কঠিন। সোভিয়েত পতনের পর রাশিয়া অন্যান্য সামরিক খাতে কিছু সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি হলেও সাবমেরিন ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তিতে নিজেদের শীর্ষ অবস্থান বজায় রেখেছে। পূর্বের ক্যালিবর বা পি-৮০০ ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর তুলনায় জিরকনের অন্তর্ভুক্তিতে এ শক্তির ব্যবধান আরও বিস্তৃত হলো।

সমুদ্রের বুকে শত্রু জাহাজ ধ্বংসের পাশাপাশি সুসংরক্ষিত স্থল লক্ষ্যবস্তু- বিমানঘাঁটি, কমান্ড সেন্টার কিংবা রসদ সরবরাহ কেন্দ্রে নির্ভুল হামলা চালাতে পারে এই জিরকন ক্ষেপণাস্ত্র। ফলে প্রতিপক্ষের সাবমেরিন-বিধ্বংসী ব্যবস্থার নাগালের বাইরে থেকেই দূরপাল্লার হামলা চালানো সম্ভব হবে। জিরকনের প্রচণ্ড গতি, অধিক ধ্বংসক্ষমতা এবং বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করার সক্ষমতার কারণে সমুদ্রে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী বহরগুলোর জন্য এক বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। এটি গভীর সমুদ্রে পশ্চিমা আধিপত্যের বিরুদ্ধে কৌশলগত ভারসাম্যও তৈরি করবে।
সূত্র: মিলিটারি ওয়াচ ম্যাগাজিন

বিশ্বের প্রথম ‘জিরকন’ হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র সজ্জিত সাবমেরিন আনছে রাশিয়া
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

চলতি বছরের শেষ নাগাদ নিজেদের নৌ-শক্তিতে এক নতুন অধ্যায় যুক্ত করতে যাচ্ছে রাশিয়া। দেশটির নৌবাহিনীতে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হতে চলেছে অত্যাধুনিক ‘জিরকন’ হাইপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র সজ্জিত প্রথম পারমাণবিক সাবমেরিন ‘পার্ম’। রুশ নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল আলেকজান্ডার মইসেয়েভ এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ইয়াসেন-এম শ্রেণীর সাবমেরিনটি যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে সমুদ্রের তলদেশে রাশিয়ার আক্রমণাত্মক সক্ষমতা এবং টিকে থাকার শক্তি বহুগুণ বেড়ে যাবে।
শব্দের চেয়ে ৯ গুণ দ্রুতগতিতে চলতে সক্ষম জিরকন ক্ষেপণাস্ত্রটি ২০১৯ সালে প্রথম সামরিক বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। প্রায় ১ হাজার কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম এ প্রযুক্তিটি বিশ্বজুড়ে অনন্য। ‘পার্ম’ মূলত ইয়াসেন-এম শ্রেণীর ষষ্ঠ পারমাণবিক সাবমেরিন। তবে এর আগের পাঁচটি সাবমেরিন তৈরি শেষে জিরকন বহনের উপযোগী করা হলেও, পার্মকে শুরু থেকেই তৈরি করা হয়েছে এ হাইপারসনিক প্রযুক্তিকে মাথায় রেখে। ফলে সাবমেরিনটির উল্লম্ব উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা ও যুদ্ধ পরিচালনা সংক্রান্ত যন্ত্রপাতিতে বিশেষ পরিবর্তন আনা হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে কোনো বড় ধরনের সংস্কার ছাড়াই ক্ষেপণাস্ত্রটির পূর্ণ ক্ষমতা ব্যবহার করা যায়।

প্রায় ১৪ হাজার টন ওজনের এ বিশালাকার সাবমেরিনটিতে একযোগে ৩২টি পর্যন্ত ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র যুক্ত করা সম্ভব, যা একে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী অস্ত্রে সজ্জিত সাবমেরিনের সারিতে এনে দাঁড় করিয়েছে। এ শ্রেণীর দশম সাবমেরিন মুরমানস্ক-এর নির্মাণকাজ জুনে শুরু হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এমন এক ডজনেরও বেশি সাবমেরিন বহরে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে মস্কোর।
ইয়াসেন-এম শ্রেণীর সাবমেরিনগুলোর সবচেয়ে বড় বিশেষত্ব হলো সমুদ্রের গভীরে নীরবে লুকিয়ে থাকার ক্ষমতা। বিশেষ প্রোপালসার ডিজাইন, শব্দরোধী কোটিং এবং সূক্ষ্ম প্রকৌশলের কারণে পানির নিচে এগুলোকে সনাক্ত করা অত্যন্ত কঠিন। সোভিয়েত পতনের পর রাশিয়া অন্যান্য সামরিক খাতে কিছু সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি হলেও সাবমেরিন ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তিতে নিজেদের শীর্ষ অবস্থান বজায় রেখেছে। পূর্বের ক্যালিবর বা পি-৮০০ ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর তুলনায় জিরকনের অন্তর্ভুক্তিতে এ শক্তির ব্যবধান আরও বিস্তৃত হলো।

সমুদ্রের বুকে শত্রু জাহাজ ধ্বংসের পাশাপাশি সুসংরক্ষিত স্থল লক্ষ্যবস্তু- বিমানঘাঁটি, কমান্ড সেন্টার কিংবা রসদ সরবরাহ কেন্দ্রে নির্ভুল হামলা চালাতে পারে এই জিরকন ক্ষেপণাস্ত্র। ফলে প্রতিপক্ষের সাবমেরিন-বিধ্বংসী ব্যবস্থার নাগালের বাইরে থেকেই দূরপাল্লার হামলা চালানো সম্ভব হবে। জিরকনের প্রচণ্ড গতি, অধিক ধ্বংসক্ষমতা এবং বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করার সক্ষমতার কারণে সমুদ্রে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী বহরগুলোর জন্য এক বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। এটি গভীর সমুদ্রে পশ্চিমা আধিপত্যের বিরুদ্ধে কৌশলগত ভারসাম্যও তৈরি করবে।
সূত্র: মিলিটারি ওয়াচ ম্যাগাজিন









