মোদির বাসভবনের সামনে থেকে আটক রাহুল-প্রিয়াঙ্কা

মোদির বাসভবনের সামনে থেকে আটক রাহুল-প্রিয়াঙ্কা
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

ভারতের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে চলমান আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি হামলার প্রতিবাদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে রাহুল গান্ধী নেতৃত্বে ‘ধরনা কর্মসূচি’ পালিত হয়। এসময় রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ও অখিলেশ যাদবসহ কংগ্রেস নেতাদের আটক করে দিল্লি পুলিশ।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার।
এতে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক ছাত্র বিক্ষোভে পুলিশের কঠোর পদক্ষেপের প্রতিবাদ এবং কেন্দ্রীয় সরকারের জবাবদিহি ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পদত্যাগের দাবিতে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। বিক্ষোভকারীরা প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের দিকে অগ্রসর হলে পুলিশ তাদের বাধা দেয় এবং পরে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধীসহ কয়েকজন বিরোধী নেতাকে আটক করে।
কর্মসূচি চলাকালে রাহুল গান্ধী বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কেন এতদিন চুপ করে আছেন? পুলিশ যে শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিচার্জ করেছে, তাদের কাছে তিনি এখনও ক্ষমা চাননি। প্রধানমন্ত্রীর উচিত এখনই কথা বলা এবং শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে এ ধরনের পুলিশি অভিযান বন্ধ করা।
সংসদ অধিবেশন শুরুর আগে বিরোধী দলের সাংসদদের নিয়ে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি হামলা নিয়ে সংসদে বিস্তারিত আলোচনার দাবি জানান রাহুল গান্ধী।
এর আগে, এক ভিডিও বার্তায় রাহুল গান্ধী বলেন, ‘দিল্লির রাজপথে যেসব ছেলেমেয়ে নেমেছে তারা কোনো অপরাধী নয়। তারা নিজেদের অধিকার দাবি করছে। একটি সম্মানজনক, ন্যায্য এবং কার্যকর শিক্ষাব্যবস্থা পাওয়া তাদের অধিকার।’
তরুণদের সমর্থনে সিজেপি আন্দোলনের অংশ হিসেবে টানা ২১ দিন অনশন করার পর গত শনিবার দেশটির মানবাধিকারকর্মী সোনম ওয়াংচুককে জোরপূর্বক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এর পরপরই ওই আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে।

ভারতের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে চলমান আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি হামলার প্রতিবাদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে রাহুল গান্ধী নেতৃত্বে ‘ধরনা কর্মসূচি’ পালিত হয়। এসময় রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ও অখিলেশ যাদবসহ কংগ্রেস নেতাদের আটক করে দিল্লি পুলিশ।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার।
এতে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক ছাত্র বিক্ষোভে পুলিশের কঠোর পদক্ষেপের প্রতিবাদ এবং কেন্দ্রীয় সরকারের জবাবদিহি ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পদত্যাগের দাবিতে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। বিক্ষোভকারীরা প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের দিকে অগ্রসর হলে পুলিশ তাদের বাধা দেয় এবং পরে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধীসহ কয়েকজন বিরোধী নেতাকে আটক করে।
কর্মসূচি চলাকালে রাহুল গান্ধী বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কেন এতদিন চুপ করে আছেন? পুলিশ যে শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিচার্জ করেছে, তাদের কাছে তিনি এখনও ক্ষমা চাননি। প্রধানমন্ত্রীর উচিত এখনই কথা বলা এবং শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে এ ধরনের পুলিশি অভিযান বন্ধ করা।
সংসদ অধিবেশন শুরুর আগে বিরোধী দলের সাংসদদের নিয়ে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি হামলা নিয়ে সংসদে বিস্তারিত আলোচনার দাবি জানান রাহুল গান্ধী।
এর আগে, এক ভিডিও বার্তায় রাহুল গান্ধী বলেন, ‘দিল্লির রাজপথে যেসব ছেলেমেয়ে নেমেছে তারা কোনো অপরাধী নয়। তারা নিজেদের অধিকার দাবি করছে। একটি সম্মানজনক, ন্যায্য এবং কার্যকর শিক্ষাব্যবস্থা পাওয়া তাদের অধিকার।’
তরুণদের সমর্থনে সিজেপি আন্দোলনের অংশ হিসেবে টানা ২১ দিন অনশন করার পর গত শনিবার দেশটির মানবাধিকারকর্মী সোনম ওয়াংচুককে জোরপূর্বক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এর পরপরই ওই আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে।

মোদির বাসভবনের সামনে থেকে আটক রাহুল-প্রিয়াঙ্কা
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

ভারতের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে চলমান আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি হামলার প্রতিবাদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে রাহুল গান্ধী নেতৃত্বে ‘ধরনা কর্মসূচি’ পালিত হয়। এসময় রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ও অখিলেশ যাদবসহ কংগ্রেস নেতাদের আটক করে দিল্লি পুলিশ।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার।
এতে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক ছাত্র বিক্ষোভে পুলিশের কঠোর পদক্ষেপের প্রতিবাদ এবং কেন্দ্রীয় সরকারের জবাবদিহি ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পদত্যাগের দাবিতে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। বিক্ষোভকারীরা প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের দিকে অগ্রসর হলে পুলিশ তাদের বাধা দেয় এবং পরে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধীসহ কয়েকজন বিরোধী নেতাকে আটক করে।
কর্মসূচি চলাকালে রাহুল গান্ধী বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কেন এতদিন চুপ করে আছেন? পুলিশ যে শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিচার্জ করেছে, তাদের কাছে তিনি এখনও ক্ষমা চাননি। প্রধানমন্ত্রীর উচিত এখনই কথা বলা এবং শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে এ ধরনের পুলিশি অভিযান বন্ধ করা।
সংসদ অধিবেশন শুরুর আগে বিরোধী দলের সাংসদদের নিয়ে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি হামলা নিয়ে সংসদে বিস্তারিত আলোচনার দাবি জানান রাহুল গান্ধী।
এর আগে, এক ভিডিও বার্তায় রাহুল গান্ধী বলেন, ‘দিল্লির রাজপথে যেসব ছেলেমেয়ে নেমেছে তারা কোনো অপরাধী নয়। তারা নিজেদের অধিকার দাবি করছে। একটি সম্মানজনক, ন্যায্য এবং কার্যকর শিক্ষাব্যবস্থা পাওয়া তাদের অধিকার।’
তরুণদের সমর্থনে সিজেপি আন্দোলনের অংশ হিসেবে টানা ২১ দিন অনশন করার পর গত শনিবার দেশটির মানবাধিকারকর্মী সোনম ওয়াংচুককে জোরপূর্বক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এর পরপরই ওই আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে।

মোদিকে ক্ষমা চাইতে বললেন রাহুল গান্ধী







