লেবানন থেকে সৈন্য প্রত্যাহার করবে না ইসরায়েল

লেবানন থেকে সৈন্য প্রত্যাহার করবে না ইসরায়েল
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কার্ৎজ বলেছেন, তারা দক্ষিণ লেবানন থেকে তাদের সেনা প্রত্যাহার করবেন না। কার্ৎজ আরও বলেন, সেনাবাহিনী হিজবুল্লাহর হুমকি নির্মূল করা অব্যাহত রাখবে।
তবে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর কথায় লেবাননে অভিযান, হামলা বা আক্রমণ সম্পর্কে কিছুই বলা হয়নি। এটি মার্কিন চাপের প্রতিক্রিয়া বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
ইসরায়েলি সম্প্রচার কর্তৃপক্ষের মতে, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী তাদের আক্রমণাত্মক অভিযান শেষ করেছে এবং এ কারণেই তারা দক্ষিণ লেবাননে মোতায়েন করা কিছু বাহিনীর সংখ্যা কমিয়ে আনার কথা ভাবছে।
তবে ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের মধ্যে এই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে যে, তারা লেবাননের তথাকথিত ‘হলুদ রেখা’ থেকে কোনো সেনা প্রত্যাহার করবে না। ইসরায়েলিরা এখনও মে মাস পর্যন্ত দখল করা এলাকাগুলোতে থাকতে চাওয়ার কথা বলছে এবং দক্ষিণ লেবাননের দিকে ক্রমাগত অগ্রসর হচ্ছে।
কিছু কর্মকর্তাদের মধ্যে এমন একটা মনোভাব দেখা দিয়েছে যে, তারা মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে লেবাননের সঙ্গে শান্তি আলোচনার আগে অল্প সংখ্যক সৈন্য প্রত্যাহার করবে।
তারা হয়তো বোফোর্ট ক্যাসেল থেকে তাদের সৈন্য প্রত্যাহার ও পুনঃস্থাপনের কথা ভাবছে। মে মাসের শেষের দিকে ইসরায়েলি সেনারা হিজবুল্লাহর গুরুত্বপূর্ণ এই স্থাপনা দখল করে। এছাড়াও তারা উত্তরের আলি আল-তাহির হিল এলাকাসহ যেসব অঞ্চলে ইসরায়েলি বাহিনী আরও অগ্রসর হতে চাইছে, সেখান থেকেও সৈন্য প্রত্যাহারের কথা ভাবছে।
সূত্র: আল জাজিরা

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কার্ৎজ বলেছেন, তারা দক্ষিণ লেবানন থেকে তাদের সেনা প্রত্যাহার করবেন না। কার্ৎজ আরও বলেন, সেনাবাহিনী হিজবুল্লাহর হুমকি নির্মূল করা অব্যাহত রাখবে।
তবে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর কথায় লেবাননে অভিযান, হামলা বা আক্রমণ সম্পর্কে কিছুই বলা হয়নি। এটি মার্কিন চাপের প্রতিক্রিয়া বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
ইসরায়েলি সম্প্রচার কর্তৃপক্ষের মতে, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী তাদের আক্রমণাত্মক অভিযান শেষ করেছে এবং এ কারণেই তারা দক্ষিণ লেবাননে মোতায়েন করা কিছু বাহিনীর সংখ্যা কমিয়ে আনার কথা ভাবছে।
তবে ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের মধ্যে এই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে যে, তারা লেবাননের তথাকথিত ‘হলুদ রেখা’ থেকে কোনো সেনা প্রত্যাহার করবে না। ইসরায়েলিরা এখনও মে মাস পর্যন্ত দখল করা এলাকাগুলোতে থাকতে চাওয়ার কথা বলছে এবং দক্ষিণ লেবাননের দিকে ক্রমাগত অগ্রসর হচ্ছে।
কিছু কর্মকর্তাদের মধ্যে এমন একটা মনোভাব দেখা দিয়েছে যে, তারা মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে লেবাননের সঙ্গে শান্তি আলোচনার আগে অল্প সংখ্যক সৈন্য প্রত্যাহার করবে।
তারা হয়তো বোফোর্ট ক্যাসেল থেকে তাদের সৈন্য প্রত্যাহার ও পুনঃস্থাপনের কথা ভাবছে। মে মাসের শেষের দিকে ইসরায়েলি সেনারা হিজবুল্লাহর গুরুত্বপূর্ণ এই স্থাপনা দখল করে। এছাড়াও তারা উত্তরের আলি আল-তাহির হিল এলাকাসহ যেসব অঞ্চলে ইসরায়েলি বাহিনী আরও অগ্রসর হতে চাইছে, সেখান থেকেও সৈন্য প্রত্যাহারের কথা ভাবছে।
সূত্র: আল জাজিরা

লেবানন থেকে সৈন্য প্রত্যাহার করবে না ইসরায়েল
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কার্ৎজ বলেছেন, তারা দক্ষিণ লেবানন থেকে তাদের সেনা প্রত্যাহার করবেন না। কার্ৎজ আরও বলেন, সেনাবাহিনী হিজবুল্লাহর হুমকি নির্মূল করা অব্যাহত রাখবে।
তবে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর কথায় লেবাননে অভিযান, হামলা বা আক্রমণ সম্পর্কে কিছুই বলা হয়নি। এটি মার্কিন চাপের প্রতিক্রিয়া বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
ইসরায়েলি সম্প্রচার কর্তৃপক্ষের মতে, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী তাদের আক্রমণাত্মক অভিযান শেষ করেছে এবং এ কারণেই তারা দক্ষিণ লেবাননে মোতায়েন করা কিছু বাহিনীর সংখ্যা কমিয়ে আনার কথা ভাবছে।
তবে ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের মধ্যে এই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে যে, তারা লেবাননের তথাকথিত ‘হলুদ রেখা’ থেকে কোনো সেনা প্রত্যাহার করবে না। ইসরায়েলিরা এখনও মে মাস পর্যন্ত দখল করা এলাকাগুলোতে থাকতে চাওয়ার কথা বলছে এবং দক্ষিণ লেবাননের দিকে ক্রমাগত অগ্রসর হচ্ছে।
কিছু কর্মকর্তাদের মধ্যে এমন একটা মনোভাব দেখা দিয়েছে যে, তারা মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে লেবাননের সঙ্গে শান্তি আলোচনার আগে অল্প সংখ্যক সৈন্য প্রত্যাহার করবে।
তারা হয়তো বোফোর্ট ক্যাসেল থেকে তাদের সৈন্য প্রত্যাহার ও পুনঃস্থাপনের কথা ভাবছে। মে মাসের শেষের দিকে ইসরায়েলি সেনারা হিজবুল্লাহর গুরুত্বপূর্ণ এই স্থাপনা দখল করে। এছাড়াও তারা উত্তরের আলি আল-তাহির হিল এলাকাসহ যেসব অঞ্চলে ইসরায়েলি বাহিনী আরও অগ্রসর হতে চাইছে, সেখান থেকেও সৈন্য প্রত্যাহারের কথা ভাবছে।
সূত্র: আল জাজিরা

ইসরায়েল চুক্তি মেনে চলবে কি না সন্দিহান লেবানিজরা







