৩১৫ দিনে ৪ হাজার ৩৭৯ বার ‘যুদ্ধবিরতি’ লঙ্ঘন করেছে ইসরায়েল

৩১৫ দিনে ৪ হাজার ৩৭৯ বার ‘যুদ্ধবিরতি’ লঙ্ঘন করেছে ইসরায়েল
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর ৩১৫ দিন পার হতে চললেও গাজা উপত্যকায় থামেনি ইসরায়েলি বাহিনীর আগ্রাসন। এ সময়ে অন্তত ৪ হাজার ৩৭৯ বার চুক্তি লঙ্ঘন করেছে ইসরায়েল। এতে ১ হাজার ২৮৬ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৪ হাজার ২৫৭ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে গাজার সরকারি গণমাধ্যম দপ্তর।
দপ্তরটির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চুক্তি চলাকালেই ইসরায়েলি বাহিনী ১৮০ জন ফিলিস্তিনিকে আটক করে নিয়ে গেছে। একই সময়ে ধসে পড়া ঘরবাড়ির ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে ৮১৩টি লাশ উদ্ধার করা সম্ভব হলেও বাস্তব চিত্র আরও ভয়াবহ। অনুমান করা হচ্ছে, ইসরায়েলি হামলায় গুঁড়িয়ে যাওয়া ভবনগুলোর নিচে এখনও চাপা পড়ে আছে ৮ হাজারের বেশি মরদেহ।
হামলার পাশাপাশি গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছাতেও বড় ধরনের বাধা তৈরি করা হচ্ছে। চুক্তি অনুসারে গাজায় ১ লাখ ৮৯ হাজার ত্রাণবাহী ট্রাক প্রবেশের কথা থাকলেও বাস্তবে ঢুকেছে মাত্র ৬৬ হাজার ৬০৭টি। এটি চুক্তিকৃত ত্রাণের মাত্র ৩৫ শতাংশ। অন্যদিকে সীমান্ত পারাপারের ক্ষেত্রেও চরম কড়াকড়ি বজায় রয়েছে। প্রত্যাশিত ২৯ হাজার ৮০০ জনের জায়গায় রাফাহ ক্রসিং দিয়ে যাতায়াতের সুযোগ পেয়েছেন মাত্র ১১ হাজার ৭৫৯ জন।
সূত্র: তাসনিম নিউজ

যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর ৩১৫ দিন পার হতে চললেও গাজা উপত্যকায় থামেনি ইসরায়েলি বাহিনীর আগ্রাসন। এ সময়ে অন্তত ৪ হাজার ৩৭৯ বার চুক্তি লঙ্ঘন করেছে ইসরায়েল। এতে ১ হাজার ২৮৬ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৪ হাজার ২৫৭ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে গাজার সরকারি গণমাধ্যম দপ্তর।
দপ্তরটির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চুক্তি চলাকালেই ইসরায়েলি বাহিনী ১৮০ জন ফিলিস্তিনিকে আটক করে নিয়ে গেছে। একই সময়ে ধসে পড়া ঘরবাড়ির ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে ৮১৩টি লাশ উদ্ধার করা সম্ভব হলেও বাস্তব চিত্র আরও ভয়াবহ। অনুমান করা হচ্ছে, ইসরায়েলি হামলায় গুঁড়িয়ে যাওয়া ভবনগুলোর নিচে এখনও চাপা পড়ে আছে ৮ হাজারের বেশি মরদেহ।
হামলার পাশাপাশি গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছাতেও বড় ধরনের বাধা তৈরি করা হচ্ছে। চুক্তি অনুসারে গাজায় ১ লাখ ৮৯ হাজার ত্রাণবাহী ট্রাক প্রবেশের কথা থাকলেও বাস্তবে ঢুকেছে মাত্র ৬৬ হাজার ৬০৭টি। এটি চুক্তিকৃত ত্রাণের মাত্র ৩৫ শতাংশ। অন্যদিকে সীমান্ত পারাপারের ক্ষেত্রেও চরম কড়াকড়ি বজায় রয়েছে। প্রত্যাশিত ২৯ হাজার ৮০০ জনের জায়গায় রাফাহ ক্রসিং দিয়ে যাতায়াতের সুযোগ পেয়েছেন মাত্র ১১ হাজার ৭৫৯ জন।
সূত্র: তাসনিম নিউজ

৩১৫ দিনে ৪ হাজার ৩৭৯ বার ‘যুদ্ধবিরতি’ লঙ্ঘন করেছে ইসরায়েল
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর ৩১৫ দিন পার হতে চললেও গাজা উপত্যকায় থামেনি ইসরায়েলি বাহিনীর আগ্রাসন। এ সময়ে অন্তত ৪ হাজার ৩৭৯ বার চুক্তি লঙ্ঘন করেছে ইসরায়েল। এতে ১ হাজার ২৮৬ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৪ হাজার ২৫৭ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে গাজার সরকারি গণমাধ্যম দপ্তর।
দপ্তরটির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চুক্তি চলাকালেই ইসরায়েলি বাহিনী ১৮০ জন ফিলিস্তিনিকে আটক করে নিয়ে গেছে। একই সময়ে ধসে পড়া ঘরবাড়ির ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে ৮১৩টি লাশ উদ্ধার করা সম্ভব হলেও বাস্তব চিত্র আরও ভয়াবহ। অনুমান করা হচ্ছে, ইসরায়েলি হামলায় গুঁড়িয়ে যাওয়া ভবনগুলোর নিচে এখনও চাপা পড়ে আছে ৮ হাজারের বেশি মরদেহ।
হামলার পাশাপাশি গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছাতেও বড় ধরনের বাধা তৈরি করা হচ্ছে। চুক্তি অনুসারে গাজায় ১ লাখ ৮৯ হাজার ত্রাণবাহী ট্রাক প্রবেশের কথা থাকলেও বাস্তবে ঢুকেছে মাত্র ৬৬ হাজার ৬০৭টি। এটি চুক্তিকৃত ত্রাণের মাত্র ৩৫ শতাংশ। অন্যদিকে সীমান্ত পারাপারের ক্ষেত্রেও চরম কড়াকড়ি বজায় রয়েছে। প্রত্যাশিত ২৯ হাজার ৮০০ জনের জায়গায় রাফাহ ক্রসিং দিয়ে যাতায়াতের সুযোগ পেয়েছেন মাত্র ১১ হাজার ৭৫৯ জন।
সূত্র: তাসনিম নিউজ

ফিলিস্তিনিদের জন্য নতুন ফাঁসির মঞ্চ বানাচ্ছে ইসরায়েল 







