আইআরজিসির নতুন প্রধান কে এই ওয়াহিদি

আইআরজিসির নতুন প্রধান কে এই ওয়াহিদি
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে প্রথমবারের মতো জনসমক্ষে দেখা দিয়েছেন ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) নতুন প্রধান আহমাদ ওয়াহিদি। তিনি সাবেক প্রধান মোহাম্মদ পাকপুরের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন, যিনি (পাকপুর) ফেব্রুয়ারিতে চালানো যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হয়েছিলেন।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সন্ধ্যায় ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির কফিন দক্ষিণ তেহরানের হুসাইনিয়া মসজিদসংলগ্ন অনুষ্ঠানস্থলে নেওয়া হয়। সেখানেই উপস্থিত হয়েছিলেন তিনি।
ওয়াহিদি সম্পর্কে যা জানা গেছে
১৯৭০ এর দশকের শেষদিকে আইআরজিসি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বাহিনীর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ওয়াহিদি। আশির দশকে পদোন্নতি পেয়ে গোয়েন্দা ও সামরিক বাহিনীতে গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত হন।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯৮৮-১৯৯৭ সাল পর্যন্ত তিনি আইআরজিসির অভিজাত কুদস ফোর্সের প্রধান ছিলেন। পরে তার স্থলাভিষিক্ত হন কিংবদন্তি কমান্ডার কাসেম সোলেইমানি, যিনি ২০২০ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে চালানো এক বিমান হামলায় নিহত হন।
২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি সম্ভাব্য ইসরায়েলি বা মার্কিন হামলার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ওয়াহিদিকে আইআরজিসির উপপ্রধান হিসেবে নিযুক্ত করেন।
রাজনৈতিক অঙ্গনেও পদচারণা রয়েছে ওয়াহিদির। তিনি সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদের সরকারের প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং প্রয়াত প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
বিশ্লেষকরা তাকে ইরানের ধর্মীয় ব্যবস্থার একজন আপসহীন ও কট্টর সমর্থক হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
সূত্র: আল জাজিরা

যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে প্রথমবারের মতো জনসমক্ষে দেখা দিয়েছেন ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) নতুন প্রধান আহমাদ ওয়াহিদি। তিনি সাবেক প্রধান মোহাম্মদ পাকপুরের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন, যিনি (পাকপুর) ফেব্রুয়ারিতে চালানো যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হয়েছিলেন।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সন্ধ্যায় ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির কফিন দক্ষিণ তেহরানের হুসাইনিয়া মসজিদসংলগ্ন অনুষ্ঠানস্থলে নেওয়া হয়। সেখানেই উপস্থিত হয়েছিলেন তিনি।
ওয়াহিদি সম্পর্কে যা জানা গেছে
১৯৭০ এর দশকের শেষদিকে আইআরজিসি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বাহিনীর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ওয়াহিদি। আশির দশকে পদোন্নতি পেয়ে গোয়েন্দা ও সামরিক বাহিনীতে গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত হন।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯৮৮-১৯৯৭ সাল পর্যন্ত তিনি আইআরজিসির অভিজাত কুদস ফোর্সের প্রধান ছিলেন। পরে তার স্থলাভিষিক্ত হন কিংবদন্তি কমান্ডার কাসেম সোলেইমানি, যিনি ২০২০ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে চালানো এক বিমান হামলায় নিহত হন।
২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি সম্ভাব্য ইসরায়েলি বা মার্কিন হামলার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ওয়াহিদিকে আইআরজিসির উপপ্রধান হিসেবে নিযুক্ত করেন।
রাজনৈতিক অঙ্গনেও পদচারণা রয়েছে ওয়াহিদির। তিনি সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদের সরকারের প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং প্রয়াত প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
বিশ্লেষকরা তাকে ইরানের ধর্মীয় ব্যবস্থার একজন আপসহীন ও কট্টর সমর্থক হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
সূত্র: আল জাজিরা

আইআরজিসির নতুন প্রধান কে এই ওয়াহিদি
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে প্রথমবারের মতো জনসমক্ষে দেখা দিয়েছেন ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) নতুন প্রধান আহমাদ ওয়াহিদি। তিনি সাবেক প্রধান মোহাম্মদ পাকপুরের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন, যিনি (পাকপুর) ফেব্রুয়ারিতে চালানো যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হয়েছিলেন।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সন্ধ্যায় ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির কফিন দক্ষিণ তেহরানের হুসাইনিয়া মসজিদসংলগ্ন অনুষ্ঠানস্থলে নেওয়া হয়। সেখানেই উপস্থিত হয়েছিলেন তিনি।
ওয়াহিদি সম্পর্কে যা জানা গেছে
১৯৭০ এর দশকের শেষদিকে আইআরজিসি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বাহিনীর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ওয়াহিদি। আশির দশকে পদোন্নতি পেয়ে গোয়েন্দা ও সামরিক বাহিনীতে গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত হন।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯৮৮-১৯৯৭ সাল পর্যন্ত তিনি আইআরজিসির অভিজাত কুদস ফোর্সের প্রধান ছিলেন। পরে তার স্থলাভিষিক্ত হন কিংবদন্তি কমান্ডার কাসেম সোলেইমানি, যিনি ২০২০ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে চালানো এক বিমান হামলায় নিহত হন।
২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি সম্ভাব্য ইসরায়েলি বা মার্কিন হামলার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ওয়াহিদিকে আইআরজিসির উপপ্রধান হিসেবে নিযুক্ত করেন।
রাজনৈতিক অঙ্গনেও পদচারণা রয়েছে ওয়াহিদির। তিনি সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদের সরকারের প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং প্রয়াত প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
বিশ্লেষকরা তাকে ইরানের ধর্মীয় ব্যবস্থার একজন আপসহীন ও কট্টর সমর্থক হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
সূত্র: আল জাজিরা

প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে আইআরজিসির নতুন প্রধান
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতার কারিগরি পর্যায় নিয়ে আলোচনা শুরু







