সব কিউআর কোড স্ক্যান করা কি ঠিক

সব কিউআর কোড স্ক্যান করা কি ঠিক
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

মোবাইল ব্যাংকিংয়ে টাকা পাঠানো কিংবা মেট্রোরেলের টিকিট কেনা-দৈনন্দিন নানা কাজে এখন কিউআর কোডের ব্যবহার বেড়েছে। তবে অপরিচিত বা সন্দেহজনক কিউআর কোড স্ক্যান করে বিপদে পড়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। কিউআর কোড নিজে ক্ষতিকর না হলেও এর আড়ালে থাকা ভুয়া বা ম্যালিসিয়াস লিংক ব্যবহারকারীর জন্য বড় ধরনের সাইবার হুমকি তৈরি করতে পারে।
সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ক্যাসপারস্কি ডট কমের তথ্য অনুযায়ী, প্রতারকরা অনেক সময় আসল কিউআর কোডের ওপর নকল কোড বসিয়ে দেয়। ব্যবহারকারীরা সেটি স্ক্যান করলে তাদের ফিশিং ওয়েবসাইটে নিয়ে যেতে পারে। সেখানে ব্যক্তিগত তথ্য, পাসওয়ার্ড কিংবা ব্যাংক ও আর্থিক হিসাবের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করতে পারে সাইবার অপরাধীরা।
এছাড়া, ক্ষতিকর কিউআর কোড স্ক্যানের মাধ্যমে ফোনে ম্যালওয়্যার ডাউনলোড বা অনাকাঙ্ক্ষিত সফটওয়্যার ইনস্টলের ঘটনাও ঘটতে পারে। এতে ব্যক্তিগত তথ্যের পাশাপাশি মোবাইলে থাকা গুরুত্বপূর্ণ ডেটাও ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অপরিচিত উৎসের কিউআর কোড স্ক্যান করার আগে সেটি কোথা থেকে এসেছে এবং স্ক্যানের পর কোন ওয়েবসাইটে নেওয়া হবে, তা যাচাই করা উচিত। সন্দেহজনক মনে হলে কোনোভাবেই কোডটি স্ক্যান না করা উচিত।

মোবাইল ব্যাংকিংয়ে টাকা পাঠানো কিংবা মেট্রোরেলের টিকিট কেনা-দৈনন্দিন নানা কাজে এখন কিউআর কোডের ব্যবহার বেড়েছে। তবে অপরিচিত বা সন্দেহজনক কিউআর কোড স্ক্যান করে বিপদে পড়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। কিউআর কোড নিজে ক্ষতিকর না হলেও এর আড়ালে থাকা ভুয়া বা ম্যালিসিয়াস লিংক ব্যবহারকারীর জন্য বড় ধরনের সাইবার হুমকি তৈরি করতে পারে।
সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ক্যাসপারস্কি ডট কমের তথ্য অনুযায়ী, প্রতারকরা অনেক সময় আসল কিউআর কোডের ওপর নকল কোড বসিয়ে দেয়। ব্যবহারকারীরা সেটি স্ক্যান করলে তাদের ফিশিং ওয়েবসাইটে নিয়ে যেতে পারে। সেখানে ব্যক্তিগত তথ্য, পাসওয়ার্ড কিংবা ব্যাংক ও আর্থিক হিসাবের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করতে পারে সাইবার অপরাধীরা।
এছাড়া, ক্ষতিকর কিউআর কোড স্ক্যানের মাধ্যমে ফোনে ম্যালওয়্যার ডাউনলোড বা অনাকাঙ্ক্ষিত সফটওয়্যার ইনস্টলের ঘটনাও ঘটতে পারে। এতে ব্যক্তিগত তথ্যের পাশাপাশি মোবাইলে থাকা গুরুত্বপূর্ণ ডেটাও ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অপরিচিত উৎসের কিউআর কোড স্ক্যান করার আগে সেটি কোথা থেকে এসেছে এবং স্ক্যানের পর কোন ওয়েবসাইটে নেওয়া হবে, তা যাচাই করা উচিত। সন্দেহজনক মনে হলে কোনোভাবেই কোডটি স্ক্যান না করা উচিত।

সব কিউআর কোড স্ক্যান করা কি ঠিক
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

মোবাইল ব্যাংকিংয়ে টাকা পাঠানো কিংবা মেট্রোরেলের টিকিট কেনা-দৈনন্দিন নানা কাজে এখন কিউআর কোডের ব্যবহার বেড়েছে। তবে অপরিচিত বা সন্দেহজনক কিউআর কোড স্ক্যান করে বিপদে পড়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। কিউআর কোড নিজে ক্ষতিকর না হলেও এর আড়ালে থাকা ভুয়া বা ম্যালিসিয়াস লিংক ব্যবহারকারীর জন্য বড় ধরনের সাইবার হুমকি তৈরি করতে পারে।
সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ক্যাসপারস্কি ডট কমের তথ্য অনুযায়ী, প্রতারকরা অনেক সময় আসল কিউআর কোডের ওপর নকল কোড বসিয়ে দেয়। ব্যবহারকারীরা সেটি স্ক্যান করলে তাদের ফিশিং ওয়েবসাইটে নিয়ে যেতে পারে। সেখানে ব্যক্তিগত তথ্য, পাসওয়ার্ড কিংবা ব্যাংক ও আর্থিক হিসাবের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করতে পারে সাইবার অপরাধীরা।
এছাড়া, ক্ষতিকর কিউআর কোড স্ক্যানের মাধ্যমে ফোনে ম্যালওয়্যার ডাউনলোড বা অনাকাঙ্ক্ষিত সফটওয়্যার ইনস্টলের ঘটনাও ঘটতে পারে। এতে ব্যক্তিগত তথ্যের পাশাপাশি মোবাইলে থাকা গুরুত্বপূর্ণ ডেটাও ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অপরিচিত উৎসের কিউআর কোড স্ক্যান করার আগে সেটি কোথা থেকে এসেছে এবং স্ক্যানের পর কোন ওয়েবসাইটে নেওয়া হবে, তা যাচাই করা উচিত। সন্দেহজনক মনে হলে কোনোভাবেই কোডটি স্ক্যান না করা উচিত।

রোবট দিয়েই রোবট তৈরি, চীনের নতুন চমক







