আবারও বন্যার আশঙ্কায় উদ্ধার অভিযান স্থগিত চীনের

আবারও বন্যার আশঙ্কায় উদ্ধার অভিযান স্থগিত চীনের
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক
-CznNewsLab-516e52.jpg)
চীন-নেপাল সীমান্তঘেঁষা তিব্বতে ভয়াবহ ভূমিধসের দুই দিন পর নতুন করে আবার বন্যার ঝুঁকি দেখা দিয়েছে। চরম বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে চলমান উদ্ধার অভিযান আপাতত স্থগিত করেছে চীন। প্রাণঘাতী প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে এখনও শত শত মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।
রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, পাহাড়ি ধসের কারণে ধ্বংসস্তূপ জমে আটকে গিয়ে একটি কৃত্রিম হ্রদের সৃষ্টি হয়েছিল। এখন সেই হ্রদের পানি উপচে উদ্ধারকারীদের অবস্থানের দিকেই ধেয়ে আসছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে উদ্ধার কর্মীদের সতর্ক অবস্থান নিতে বলা হয়েছে। সিসিটিভি জানায়, ‘সকল উদ্ধারকারী দলকে নিজ নিজ স্থানে প্রস্তুত থাকতে এবং পরবর্তী নির্দেশের জন্য অপেক্ষা করতে বলা হয়েছে।’ এর আগে ঝুঁকি নিয়ে দুর্ঘটনাকবলিত এলাকায় থাকা জরুরি উদ্ধারকারী দলগুলোকে অন্তত এক কিলোমিটার নিরাপদ দূরত্বে পিছিয়ে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়।
বুধবারে (২৬ আগস্ট) তিব্বতের সীমান্ত শহর জিরং-এ বন্যা ও পাহাড়ি ধসের পর এ সংকট শুরু হয়। নদী বা প্রবাহের মুখ আটকে কৃত্রিম হ্রদ তৈরি হওয়ার পর থেকেই বিপুল সংখ্যক মানুষের খোঁজ মিলছে না। সিসিটিভি আরও জানায়, ওই অঞ্চলে বিরতিহীন বৃষ্টির কারণে আগামী তিন দিন হ্রদের পানির স্তর ক্রমেই বাড়তে পারে। ১ সেপ্টেম্বরের দিকে তা সবচেয়ে বিপজ্জনক রূপ নিতে পারে। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে, অনবরত পানি বাড়তে থাকলে অস্থায়ী বাঁধ ভেঙে গিয়ে প্রলয়ংকরী ঢল নামতে পারে। এতে জিরং বন্দরসহ নিম্নাঞ্চল মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বর্তমানে বিশেষ প্রকৌশলী দল সেখানে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালাচ্ছে।
ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেও উদ্ধার কাজ থেমে নেই। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) পর্যন্ত দুর্গম দুর্যোগ এলাকা থেকে ৪৯৯ জন চীনা নাগরিক এবং ৫৫৫ জন বিদেশি পর্যটকসহ সহস্রাধিক মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে আনা হয়েছে। এখনও যারা নিখোঁজ রয়েছেন, তাদের অবস্থান শনাক্ত করতে উদ্ধারকারীরা ম্যানুয়াল তল্লাশির পাশাপাশি ড্রোনের সাহায্যে থ্রিডি মডেলিং ও থার্মাল ইমেজিং প্রযুক্তির মতো আধুনিক ব্যবস্থা ব্যবহার করছেন।
সূত্র: এনডিটিভি
-CznNewsLab-516e52.jpg)
চীন-নেপাল সীমান্তঘেঁষা তিব্বতে ভয়াবহ ভূমিধসের দুই দিন পর নতুন করে আবার বন্যার ঝুঁকি দেখা দিয়েছে। চরম বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে চলমান উদ্ধার অভিযান আপাতত স্থগিত করেছে চীন। প্রাণঘাতী প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে এখনও শত শত মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।
রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, পাহাড়ি ধসের কারণে ধ্বংসস্তূপ জমে আটকে গিয়ে একটি কৃত্রিম হ্রদের সৃষ্টি হয়েছিল। এখন সেই হ্রদের পানি উপচে উদ্ধারকারীদের অবস্থানের দিকেই ধেয়ে আসছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে উদ্ধার কর্মীদের সতর্ক অবস্থান নিতে বলা হয়েছে। সিসিটিভি জানায়, ‘সকল উদ্ধারকারী দলকে নিজ নিজ স্থানে প্রস্তুত থাকতে এবং পরবর্তী নির্দেশের জন্য অপেক্ষা করতে বলা হয়েছে।’ এর আগে ঝুঁকি নিয়ে দুর্ঘটনাকবলিত এলাকায় থাকা জরুরি উদ্ধারকারী দলগুলোকে অন্তত এক কিলোমিটার নিরাপদ দূরত্বে পিছিয়ে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়।
বুধবারে (২৬ আগস্ট) তিব্বতের সীমান্ত শহর জিরং-এ বন্যা ও পাহাড়ি ধসের পর এ সংকট শুরু হয়। নদী বা প্রবাহের মুখ আটকে কৃত্রিম হ্রদ তৈরি হওয়ার পর থেকেই বিপুল সংখ্যক মানুষের খোঁজ মিলছে না। সিসিটিভি আরও জানায়, ওই অঞ্চলে বিরতিহীন বৃষ্টির কারণে আগামী তিন দিন হ্রদের পানির স্তর ক্রমেই বাড়তে পারে। ১ সেপ্টেম্বরের দিকে তা সবচেয়ে বিপজ্জনক রূপ নিতে পারে। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে, অনবরত পানি বাড়তে থাকলে অস্থায়ী বাঁধ ভেঙে গিয়ে প্রলয়ংকরী ঢল নামতে পারে। এতে জিরং বন্দরসহ নিম্নাঞ্চল মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বর্তমানে বিশেষ প্রকৌশলী দল সেখানে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালাচ্ছে।
ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেও উদ্ধার কাজ থেমে নেই। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) পর্যন্ত দুর্গম দুর্যোগ এলাকা থেকে ৪৯৯ জন চীনা নাগরিক এবং ৫৫৫ জন বিদেশি পর্যটকসহ সহস্রাধিক মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে আনা হয়েছে। এখনও যারা নিখোঁজ রয়েছেন, তাদের অবস্থান শনাক্ত করতে উদ্ধারকারীরা ম্যানুয়াল তল্লাশির পাশাপাশি ড্রোনের সাহায্যে থ্রিডি মডেলিং ও থার্মাল ইমেজিং প্রযুক্তির মতো আধুনিক ব্যবস্থা ব্যবহার করছেন।
সূত্র: এনডিটিভি

আবারও বন্যার আশঙ্কায় উদ্ধার অভিযান স্থগিত চীনের
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক
-CznNewsLab-516e52.jpg)
চীন-নেপাল সীমান্তঘেঁষা তিব্বতে ভয়াবহ ভূমিধসের দুই দিন পর নতুন করে আবার বন্যার ঝুঁকি দেখা দিয়েছে। চরম বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে চলমান উদ্ধার অভিযান আপাতত স্থগিত করেছে চীন। প্রাণঘাতী প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে এখনও শত শত মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।
রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, পাহাড়ি ধসের কারণে ধ্বংসস্তূপ জমে আটকে গিয়ে একটি কৃত্রিম হ্রদের সৃষ্টি হয়েছিল। এখন সেই হ্রদের পানি উপচে উদ্ধারকারীদের অবস্থানের দিকেই ধেয়ে আসছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে উদ্ধার কর্মীদের সতর্ক অবস্থান নিতে বলা হয়েছে। সিসিটিভি জানায়, ‘সকল উদ্ধারকারী দলকে নিজ নিজ স্থানে প্রস্তুত থাকতে এবং পরবর্তী নির্দেশের জন্য অপেক্ষা করতে বলা হয়েছে।’ এর আগে ঝুঁকি নিয়ে দুর্ঘটনাকবলিত এলাকায় থাকা জরুরি উদ্ধারকারী দলগুলোকে অন্তত এক কিলোমিটার নিরাপদ দূরত্বে পিছিয়ে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়।
বুধবারে (২৬ আগস্ট) তিব্বতের সীমান্ত শহর জিরং-এ বন্যা ও পাহাড়ি ধসের পর এ সংকট শুরু হয়। নদী বা প্রবাহের মুখ আটকে কৃত্রিম হ্রদ তৈরি হওয়ার পর থেকেই বিপুল সংখ্যক মানুষের খোঁজ মিলছে না। সিসিটিভি আরও জানায়, ওই অঞ্চলে বিরতিহীন বৃষ্টির কারণে আগামী তিন দিন হ্রদের পানির স্তর ক্রমেই বাড়তে পারে। ১ সেপ্টেম্বরের দিকে তা সবচেয়ে বিপজ্জনক রূপ নিতে পারে। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে, অনবরত পানি বাড়তে থাকলে অস্থায়ী বাঁধ ভেঙে গিয়ে প্রলয়ংকরী ঢল নামতে পারে। এতে জিরং বন্দরসহ নিম্নাঞ্চল মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বর্তমানে বিশেষ প্রকৌশলী দল সেখানে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালাচ্ছে।
ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেও উদ্ধার কাজ থেমে নেই। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) পর্যন্ত দুর্গম দুর্যোগ এলাকা থেকে ৪৯৯ জন চীনা নাগরিক এবং ৫৫৫ জন বিদেশি পর্যটকসহ সহস্রাধিক মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে আনা হয়েছে। এখনও যারা নিখোঁজ রয়েছেন, তাদের অবস্থান শনাক্ত করতে উদ্ধারকারীরা ম্যানুয়াল তল্লাশির পাশাপাশি ড্রোনের সাহায্যে থ্রিডি মডেলিং ও থার্মাল ইমেজিং প্রযুক্তির মতো আধুনিক ব্যবস্থা ব্যবহার করছেন।
সূত্র: এনডিটিভি

নেপালে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৬৯







