আবার যুদ্ধ হলে আরও বিধ্বংসী অস্ত্র ব্যবহারের হুঁশিয়ারি আইআরজিসির

আবার যুদ্ধ হলে আরও বিধ্বংসী অস্ত্র ব্যবহারের হুঁশিয়ারি আইআরজিসির
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

নতুন করে আবার কোনো সংঘাত শুরু হলে আগের চেয়েও ভয়ংকর ও শক্তিশালী অস্ত্র ব্যবহারের হুঁশিয়ারি দিয়েছে আইআরজিসি। সাম্প্রতিক সংঘাতগুলোর অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে তেহরান নিজেদের সামরিক সক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়েছে বলে দাবি করেছে সংস্থাটি।
ইরানের সামরিক ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম দেফা প্রেসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হুঁশিয়ারি দোন আইআরজিসির মুখপাত্র হোসেইন মোহেব্বি। তিনি জানান, যেকোনো পরিস্থিতেই ইরান অস্ত্র উৎপাদন সচল রেখেছে। সংঘাতের ধরণ বদলে গেছে উল্লেখ করে মোহেব্বি বলেন, যদি আরেকটি যুদ্ধ শুরু হয়, তবে আমাদের অস্ত্রশস্ত্র অবশ্যই ভিন্ন হবে। আইআরজিসির মুখপাত্র আরও জানান, ‘আইআরজিসির ক্ষেপণাস্ত্রে ব্যবহৃত ওয়ারহেডগুলোর ধ্বংসাত্মক ক্ষমতা পূর্ববর্তী যুদ্ধগুলোতে ব্যবহৃত মডেলগুলোর চেয়ে অনেক বেশি।’
উল্লেখ্য, গত বছরের জুনে ১২ দিনের এক সামরিক সংঘাত এবং চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরান জুড়ে তীব্র অস্থিরতা তৈরি হয়। হামলায় দেশটির তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি, বেশ কয়েকজন সামরিক কমান্ডার এবং বহু বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারান। এর জবাবে ইসরায়েলি স্থাপনা ও পুরো মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় তেহরান।
টানা ৪০ দিনের যুদ্ধের পর ৮ এপ্রিল দুই পক্ষের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়। পরবর্তীতে ১৮ জুন সংঘাত পুরোপুরি থামানোর লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি সমঝোতা স্মারকেও সই করে। তবে চুক্তির পরও অঞ্চলে উত্তেজনা কমেনি, বরং মাঝে মাঝেই নতুন করে পাল্টাপাল্টি সংঘাতের জেরে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে।
সূত্র: সিনহুয়া

নতুন করে আবার কোনো সংঘাত শুরু হলে আগের চেয়েও ভয়ংকর ও শক্তিশালী অস্ত্র ব্যবহারের হুঁশিয়ারি দিয়েছে আইআরজিসি। সাম্প্রতিক সংঘাতগুলোর অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে তেহরান নিজেদের সামরিক সক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়েছে বলে দাবি করেছে সংস্থাটি।
ইরানের সামরিক ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম দেফা প্রেসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হুঁশিয়ারি দোন আইআরজিসির মুখপাত্র হোসেইন মোহেব্বি। তিনি জানান, যেকোনো পরিস্থিতেই ইরান অস্ত্র উৎপাদন সচল রেখেছে। সংঘাতের ধরণ বদলে গেছে উল্লেখ করে মোহেব্বি বলেন, যদি আরেকটি যুদ্ধ শুরু হয়, তবে আমাদের অস্ত্রশস্ত্র অবশ্যই ভিন্ন হবে। আইআরজিসির মুখপাত্র আরও জানান, ‘আইআরজিসির ক্ষেপণাস্ত্রে ব্যবহৃত ওয়ারহেডগুলোর ধ্বংসাত্মক ক্ষমতা পূর্ববর্তী যুদ্ধগুলোতে ব্যবহৃত মডেলগুলোর চেয়ে অনেক বেশি।’
উল্লেখ্য, গত বছরের জুনে ১২ দিনের এক সামরিক সংঘাত এবং চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরান জুড়ে তীব্র অস্থিরতা তৈরি হয়। হামলায় দেশটির তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি, বেশ কয়েকজন সামরিক কমান্ডার এবং বহু বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারান। এর জবাবে ইসরায়েলি স্থাপনা ও পুরো মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় তেহরান।
টানা ৪০ দিনের যুদ্ধের পর ৮ এপ্রিল দুই পক্ষের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়। পরবর্তীতে ১৮ জুন সংঘাত পুরোপুরি থামানোর লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি সমঝোতা স্মারকেও সই করে। তবে চুক্তির পরও অঞ্চলে উত্তেজনা কমেনি, বরং মাঝে মাঝেই নতুন করে পাল্টাপাল্টি সংঘাতের জেরে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে।
সূত্র: সিনহুয়া

আবার যুদ্ধ হলে আরও বিধ্বংসী অস্ত্র ব্যবহারের হুঁশিয়ারি আইআরজিসির
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

নতুন করে আবার কোনো সংঘাত শুরু হলে আগের চেয়েও ভয়ংকর ও শক্তিশালী অস্ত্র ব্যবহারের হুঁশিয়ারি দিয়েছে আইআরজিসি। সাম্প্রতিক সংঘাতগুলোর অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে তেহরান নিজেদের সামরিক সক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়েছে বলে দাবি করেছে সংস্থাটি।
ইরানের সামরিক ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম দেফা প্রেসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হুঁশিয়ারি দোন আইআরজিসির মুখপাত্র হোসেইন মোহেব্বি। তিনি জানান, যেকোনো পরিস্থিতেই ইরান অস্ত্র উৎপাদন সচল রেখেছে। সংঘাতের ধরণ বদলে গেছে উল্লেখ করে মোহেব্বি বলেন, যদি আরেকটি যুদ্ধ শুরু হয়, তবে আমাদের অস্ত্রশস্ত্র অবশ্যই ভিন্ন হবে। আইআরজিসির মুখপাত্র আরও জানান, ‘আইআরজিসির ক্ষেপণাস্ত্রে ব্যবহৃত ওয়ারহেডগুলোর ধ্বংসাত্মক ক্ষমতা পূর্ববর্তী যুদ্ধগুলোতে ব্যবহৃত মডেলগুলোর চেয়ে অনেক বেশি।’
উল্লেখ্য, গত বছরের জুনে ১২ দিনের এক সামরিক সংঘাত এবং চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরান জুড়ে তীব্র অস্থিরতা তৈরি হয়। হামলায় দেশটির তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি, বেশ কয়েকজন সামরিক কমান্ডার এবং বহু বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারান। এর জবাবে ইসরায়েলি স্থাপনা ও পুরো মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় তেহরান।
টানা ৪০ দিনের যুদ্ধের পর ৮ এপ্রিল দুই পক্ষের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়। পরবর্তীতে ১৮ জুন সংঘাত পুরোপুরি থামানোর লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি সমঝোতা স্মারকেও সই করে। তবে চুক্তির পরও অঞ্চলে উত্তেজনা কমেনি, বরং মাঝে মাঝেই নতুন করে পাল্টাপাল্টি সংঘাতের জেরে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে।
সূত্র: সিনহুয়া

ইরান যুদ্ধে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ও লাভবান কারা







