প্রিয়তমা স্ত্রীকে প্রশংসা করার দিন আজ

প্রিয়তমা স্ত্রীকে প্রশংসা করার দিন আজ
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

সংসারের নিত্যদিনের ব্যস্ততার ফাঁকে জীবনসঙ্গীকে মন খুলে ধন্যবাদ জানানো বা প্রশংসা করার ফুরসতই পান না অনেকে। অথচ জীবনের একটা বড় পথ যার সঙ্গে চলা, তার ছোট্ট একটা প্রশংসাও পুরো দিনটিকে বদলে দিতে পারে।
সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় রবিবার বিশ্বজুড়ে ‘ওয়াইফ অ্যাপ্রিসিয়েশন ডে’ বা স্ত্রীর প্রশংসা দিবস হিসেবে পালিত হয়। স্ত্রীকে ভালোবাসা, তার অবদানকে সম্মান জানানো এবং জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে তার গুরুত্ব বুঝিয়ে দেওয়াই এ দিনের মূলকথা। এজন্য বড় কোনো আয়োজন বা দামি উপহারের প্রয়োজন নেই, কেবল কিছু আন্তরিক কথাই ভালোবাসার প্রকাশ ঘটানোর জন্য যথেষ্ট।
সংসারে স্ত্রী কেবল একজন সদস্য নন, তিনি একাধারে জীবনসঙ্গী, বন্ধু, অভিভাবক এবং প্রতিটি দায়িত্বের যোগ্য অংশীদার। প্রতিদিনের ছোটখাটো কাজে তার নিরলস যত্ন ও মানসিক সমর্থন পুরো পরিবারকে সুন্দরভাবে বাঁচিয়ে রাখে। কিন্তু অভ্যাসের বশে এ অবদানগুলো অনেক সময় আমাদের চোখ এড়িয়ে যায়। এ বিশেষ দিনটি তাই সেই না বলা কথাগুলো প্রিয় মানুষটিকে নতুন করে শোনানোর এক দারুণ সুযোগ। মনের অনুভূতি প্রকাশের জন্য মুখস্থ কোনো কথার প্রয়োজন হয় না। নিজের ভেতর থেকে আসা সাধারণ অথচ গভীর কিছু কথায় সঙ্গীকে বোঝানো যায় যে তিনি কতটা বিশেষ।
সঙ্গীকে উদ্দেশ্য করে বলা যেতে পারে, ‘তুমি আমার জীবনে আছো বলে অনেক কঠিন সময়ও সহজ মনে হয়। তোমার পাশে থাকাটা আমার জন্য অনেক বড় পাওয়া।’ এছাড়া তার প্রতিদিনের পরিশ্রমের কথা মনে করিয়ে দিয়ে বলা যায়, ‘সংসারের জন্য তুমি প্রতিদিন যে পরিশ্রম করো, তা আমি সব সময় হয়তো বলে উঠতে পারি না। কিন্তু তোমার প্রতিটি চেষ্টার মূল্য আমার কাছে অনেক।’ ছোট ছোট স্বীকৃতিও অনেক সময় বড় প্রশান্তি আনে। যেমন বলা যেতে পারে, ‘তোমার যত্নে আমাদের ঘরটা আরও আপন হয়ে ওঠে।’ আবার বলতে পারেন, ‘তোমার সঙ্গে কথা বললে আমার মনটা হালকা হয়ে যায়। তুমি শুধু আমার জীবনসঙ্গী নও, আমার সবচেয়ে কাছের বন্ধু।’
স্ত্রীর ছোটখাটো অর্জনগুলোকেও উৎসবের মতো উদ্যাপন করা দরকার। কর্মক্ষেত্রের সাফল্য হোক বা নতুন কিছু শেখার চেষ্টা- তার প্রতিটি লক্ষ্য পূরণের যাত্রায় পাশে থাকলে সম্পর্কের ভিত্তি আরও শক্ত হয়। আজকের এই দিনে বড় কোনো রেস্তোরাঁ বা বিলাসবহুল আয়োজন জরুরি নয়। বরং ঘরের কাজে একটু হাত লাগিয়ে, তার বিশ্রামের সুযোগ করে দিয়ে কিংবা মন দিয়ে তার একটি কথা শুনে দিনটিকে সুন্দর করা যায়। কাজের শেষে ঘরে ফিরে হয়তো সহজ একটি প্রশ্নই তার ক্লান্তি দূর করে দিতে পারে। এছাড়া মনোযোগ দিয়ে তার কথা শোনার মধ্য দিয়েও প্রকাশ পায় তার অনুভূতিগুলো আপনার কাছে কতটা দামি।
সম্পর্কের মাঝে কোনো ভুল বোঝাবুঝি থাকলে আজ তা খোলামেলা আলোচনার মাধ্যমে দূর করে নেওয়া যেতে পারে। তবে মনে রাখা ভালো, ভালোবাসা প্রকাশের জন্য নির্দিষ্ট কোনো ক্যালেন্ডারের পাতার প্রয়োজন হয় না। দিনটি কেবল উপলক্ষ মাত্র, আসল ব্যাপার হলো প্রতিদিনের জীবনযাত্রায় পারস্পরিক সম্মান, যত্ন এবং কৃতজ্ঞতা বজায় রাখা। তাই সব ব্যস্ততা দূরে সরিয়ে আজ একটু সময় নিয়ে সঙ্গীর চোখের দিকে তাকিয়ে মনে জমে থাকা কথাটি বলাই যায়, ‘তোমাকে পেয়ে আমি ধন্য।’

সংসারের নিত্যদিনের ব্যস্ততার ফাঁকে জীবনসঙ্গীকে মন খুলে ধন্যবাদ জানানো বা প্রশংসা করার ফুরসতই পান না অনেকে। অথচ জীবনের একটা বড় পথ যার সঙ্গে চলা, তার ছোট্ট একটা প্রশংসাও পুরো দিনটিকে বদলে দিতে পারে।
সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় রবিবার বিশ্বজুড়ে ‘ওয়াইফ অ্যাপ্রিসিয়েশন ডে’ বা স্ত্রীর প্রশংসা দিবস হিসেবে পালিত হয়। স্ত্রীকে ভালোবাসা, তার অবদানকে সম্মান জানানো এবং জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে তার গুরুত্ব বুঝিয়ে দেওয়াই এ দিনের মূলকথা। এজন্য বড় কোনো আয়োজন বা দামি উপহারের প্রয়োজন নেই, কেবল কিছু আন্তরিক কথাই ভালোবাসার প্রকাশ ঘটানোর জন্য যথেষ্ট।
সংসারে স্ত্রী কেবল একজন সদস্য নন, তিনি একাধারে জীবনসঙ্গী, বন্ধু, অভিভাবক এবং প্রতিটি দায়িত্বের যোগ্য অংশীদার। প্রতিদিনের ছোটখাটো কাজে তার নিরলস যত্ন ও মানসিক সমর্থন পুরো পরিবারকে সুন্দরভাবে বাঁচিয়ে রাখে। কিন্তু অভ্যাসের বশে এ অবদানগুলো অনেক সময় আমাদের চোখ এড়িয়ে যায়। এ বিশেষ দিনটি তাই সেই না বলা কথাগুলো প্রিয় মানুষটিকে নতুন করে শোনানোর এক দারুণ সুযোগ। মনের অনুভূতি প্রকাশের জন্য মুখস্থ কোনো কথার প্রয়োজন হয় না। নিজের ভেতর থেকে আসা সাধারণ অথচ গভীর কিছু কথায় সঙ্গীকে বোঝানো যায় যে তিনি কতটা বিশেষ।
সঙ্গীকে উদ্দেশ্য করে বলা যেতে পারে, ‘তুমি আমার জীবনে আছো বলে অনেক কঠিন সময়ও সহজ মনে হয়। তোমার পাশে থাকাটা আমার জন্য অনেক বড় পাওয়া।’ এছাড়া তার প্রতিদিনের পরিশ্রমের কথা মনে করিয়ে দিয়ে বলা যায়, ‘সংসারের জন্য তুমি প্রতিদিন যে পরিশ্রম করো, তা আমি সব সময় হয়তো বলে উঠতে পারি না। কিন্তু তোমার প্রতিটি চেষ্টার মূল্য আমার কাছে অনেক।’ ছোট ছোট স্বীকৃতিও অনেক সময় বড় প্রশান্তি আনে। যেমন বলা যেতে পারে, ‘তোমার যত্নে আমাদের ঘরটা আরও আপন হয়ে ওঠে।’ আবার বলতে পারেন, ‘তোমার সঙ্গে কথা বললে আমার মনটা হালকা হয়ে যায়। তুমি শুধু আমার জীবনসঙ্গী নও, আমার সবচেয়ে কাছের বন্ধু।’
স্ত্রীর ছোটখাটো অর্জনগুলোকেও উৎসবের মতো উদ্যাপন করা দরকার। কর্মক্ষেত্রের সাফল্য হোক বা নতুন কিছু শেখার চেষ্টা- তার প্রতিটি লক্ষ্য পূরণের যাত্রায় পাশে থাকলে সম্পর্কের ভিত্তি আরও শক্ত হয়। আজকের এই দিনে বড় কোনো রেস্তোরাঁ বা বিলাসবহুল আয়োজন জরুরি নয়। বরং ঘরের কাজে একটু হাত লাগিয়ে, তার বিশ্রামের সুযোগ করে দিয়ে কিংবা মন দিয়ে তার একটি কথা শুনে দিনটিকে সুন্দর করা যায়। কাজের শেষে ঘরে ফিরে হয়তো সহজ একটি প্রশ্নই তার ক্লান্তি দূর করে দিতে পারে। এছাড়া মনোযোগ দিয়ে তার কথা শোনার মধ্য দিয়েও প্রকাশ পায় তার অনুভূতিগুলো আপনার কাছে কতটা দামি।
সম্পর্কের মাঝে কোনো ভুল বোঝাবুঝি থাকলে আজ তা খোলামেলা আলোচনার মাধ্যমে দূর করে নেওয়া যেতে পারে। তবে মনে রাখা ভালো, ভালোবাসা প্রকাশের জন্য নির্দিষ্ট কোনো ক্যালেন্ডারের পাতার প্রয়োজন হয় না। দিনটি কেবল উপলক্ষ মাত্র, আসল ব্যাপার হলো প্রতিদিনের জীবনযাত্রায় পারস্পরিক সম্মান, যত্ন এবং কৃতজ্ঞতা বজায় রাখা। তাই সব ব্যস্ততা দূরে সরিয়ে আজ একটু সময় নিয়ে সঙ্গীর চোখের দিকে তাকিয়ে মনে জমে থাকা কথাটি বলাই যায়, ‘তোমাকে পেয়ে আমি ধন্য।’

প্রিয়তমা স্ত্রীকে প্রশংসা করার দিন আজ
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

সংসারের নিত্যদিনের ব্যস্ততার ফাঁকে জীবনসঙ্গীকে মন খুলে ধন্যবাদ জানানো বা প্রশংসা করার ফুরসতই পান না অনেকে। অথচ জীবনের একটা বড় পথ যার সঙ্গে চলা, তার ছোট্ট একটা প্রশংসাও পুরো দিনটিকে বদলে দিতে পারে।
সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় রবিবার বিশ্বজুড়ে ‘ওয়াইফ অ্যাপ্রিসিয়েশন ডে’ বা স্ত্রীর প্রশংসা দিবস হিসেবে পালিত হয়। স্ত্রীকে ভালোবাসা, তার অবদানকে সম্মান জানানো এবং জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে তার গুরুত্ব বুঝিয়ে দেওয়াই এ দিনের মূলকথা। এজন্য বড় কোনো আয়োজন বা দামি উপহারের প্রয়োজন নেই, কেবল কিছু আন্তরিক কথাই ভালোবাসার প্রকাশ ঘটানোর জন্য যথেষ্ট।
সংসারে স্ত্রী কেবল একজন সদস্য নন, তিনি একাধারে জীবনসঙ্গী, বন্ধু, অভিভাবক এবং প্রতিটি দায়িত্বের যোগ্য অংশীদার। প্রতিদিনের ছোটখাটো কাজে তার নিরলস যত্ন ও মানসিক সমর্থন পুরো পরিবারকে সুন্দরভাবে বাঁচিয়ে রাখে। কিন্তু অভ্যাসের বশে এ অবদানগুলো অনেক সময় আমাদের চোখ এড়িয়ে যায়। এ বিশেষ দিনটি তাই সেই না বলা কথাগুলো প্রিয় মানুষটিকে নতুন করে শোনানোর এক দারুণ সুযোগ। মনের অনুভূতি প্রকাশের জন্য মুখস্থ কোনো কথার প্রয়োজন হয় না। নিজের ভেতর থেকে আসা সাধারণ অথচ গভীর কিছু কথায় সঙ্গীকে বোঝানো যায় যে তিনি কতটা বিশেষ।
সঙ্গীকে উদ্দেশ্য করে বলা যেতে পারে, ‘তুমি আমার জীবনে আছো বলে অনেক কঠিন সময়ও সহজ মনে হয়। তোমার পাশে থাকাটা আমার জন্য অনেক বড় পাওয়া।’ এছাড়া তার প্রতিদিনের পরিশ্রমের কথা মনে করিয়ে দিয়ে বলা যায়, ‘সংসারের জন্য তুমি প্রতিদিন যে পরিশ্রম করো, তা আমি সব সময় হয়তো বলে উঠতে পারি না। কিন্তু তোমার প্রতিটি চেষ্টার মূল্য আমার কাছে অনেক।’ ছোট ছোট স্বীকৃতিও অনেক সময় বড় প্রশান্তি আনে। যেমন বলা যেতে পারে, ‘তোমার যত্নে আমাদের ঘরটা আরও আপন হয়ে ওঠে।’ আবার বলতে পারেন, ‘তোমার সঙ্গে কথা বললে আমার মনটা হালকা হয়ে যায়। তুমি শুধু আমার জীবনসঙ্গী নও, আমার সবচেয়ে কাছের বন্ধু।’
স্ত্রীর ছোটখাটো অর্জনগুলোকেও উৎসবের মতো উদ্যাপন করা দরকার। কর্মক্ষেত্রের সাফল্য হোক বা নতুন কিছু শেখার চেষ্টা- তার প্রতিটি লক্ষ্য পূরণের যাত্রায় পাশে থাকলে সম্পর্কের ভিত্তি আরও শক্ত হয়। আজকের এই দিনে বড় কোনো রেস্তোরাঁ বা বিলাসবহুল আয়োজন জরুরি নয়। বরং ঘরের কাজে একটু হাত লাগিয়ে, তার বিশ্রামের সুযোগ করে দিয়ে কিংবা মন দিয়ে তার একটি কথা শুনে দিনটিকে সুন্দর করা যায়। কাজের শেষে ঘরে ফিরে হয়তো সহজ একটি প্রশ্নই তার ক্লান্তি দূর করে দিতে পারে। এছাড়া মনোযোগ দিয়ে তার কথা শোনার মধ্য দিয়েও প্রকাশ পায় তার অনুভূতিগুলো আপনার কাছে কতটা দামি।
সম্পর্কের মাঝে কোনো ভুল বোঝাবুঝি থাকলে আজ তা খোলামেলা আলোচনার মাধ্যমে দূর করে নেওয়া যেতে পারে। তবে মনে রাখা ভালো, ভালোবাসা প্রকাশের জন্য নির্দিষ্ট কোনো ক্যালেন্ডারের পাতার প্রয়োজন হয় না। দিনটি কেবল উপলক্ষ মাত্র, আসল ব্যাপার হলো প্রতিদিনের জীবনযাত্রায় পারস্পরিক সম্মান, যত্ন এবং কৃতজ্ঞতা বজায় রাখা। তাই সব ব্যস্ততা দূরে সরিয়ে আজ একটু সময় নিয়ে সঙ্গীর চোখের দিকে তাকিয়ে মনে জমে থাকা কথাটি বলাই যায়, ‘তোমাকে পেয়ে আমি ধন্য।’









